নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে প্রতিবেদন

বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি সম্পর্কে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ উপযোগী একটি প্রতিবেদন রচনা কর ।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি

আলোচ্য বিষয়:

👉🏻বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি সম্পর্কে দৈনিক পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন লেখ।
👉🏻বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি সম্পর্কে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ উপযোগী একটি প্রতিবেদন রচনা কর ।
👉🏻বর্তমানে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি সম্পর্কে পত্রিকায় প্রকাশের জন্য একটি প্রতিবেদন লেখ ।
👉🏻বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন লেখ ।
👉🏻নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি সম্পর্কে সংবাপত্রে প্রকাশের জন্য একটি প্রতিবেদন তৈরি কর ।
👉🏻দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণ ও প্রতিকারের উপায় সম্পর্কে একট প্রতিবেদন রচনা কর।

শিরোনাম : নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধিতে জনগণের দুর্ভোগ চরমে পৌঁচেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : গত কয়েক দিনে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে । এতে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে । বিশেষভাবে সীমিত আয়ের ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে ।

মাঠ পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে , গত দু'সপ্তাহে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর মূল্য গড়পড়তা ২০ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে । চাল , ডাল , তেল , চিনি , মাছ - মাংসসহ প্রতিটি কৃষিজ পণ্যের দাম বেড়েছে । কিছু আমদানিকৃত পণ্যের দামও অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে । গত সপ্তাহে সাধারণ মানের যে চাল ২৮ থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হতো বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৫৫/৬০ টাকা দরে । মুগ ও মসুরের ডাল কেজি প্রতি ৪/৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে । কাঁচা তরকারির দামও বেড়েছে । সয়াবিন তেলের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে । মাছের বাজারে প্রায় আগুন । ইলিশের ভরা মৌসুম হলেও বাজারে ইলিশ নেই বললেই চলে । এক কেজি ওজনের একটি ইলিশের দাম এক হাজার টাকা থেকে বারোশত টাকা । সাধারণ মানুষের ইলিশ খাওয়ার সাধ অপূর্ণই রয়ে যাচ্ছে ।

বাজারে খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায় , নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় প্রতিটি পণ্যের সরবরাহ হঠাৎ করেই হ্রাস পেয়েছে । তাই পাইকারি দামও বৃদ্ধি পেয়েছে । স্বাভাবিক কারণেই খুচরা বাজারে তার প্রভাব পড়েছে । মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিক্রিও কমে গেছে । সীমিত আয়ের মানুষ প্রতিদিনকার প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে । পাইকারি বাজারে পণ্যের আমদানি হ্রাস পাওয়ার কোনো কারণ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানাতে পারে নি । এর পেছনে মজুতদারদের কোনো হাত আছে কি না তা খুঁজে বের করা কঠিন । তবে মজুতদারদের অপতৎপরতা সব সময়েই বাজারকে অস্থির করে তোলে । আমদানিকৃত পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির জন্য সাম্প্রতিককালে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নকেই দায়ী করা হচ্ছে ।

এদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ক্রেতা স্বার্থ - সংরক্ষণকারী সংগঠন ক্যাব ( CAB = Consumer Association of Bangladesh ) । ক্যাবের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল আজ বাজারদর পর্যবেক্ষণ করে মূল্য বৃদ্ধিজনিত জনদুর্ভোগের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছে । এমতাবস্থায় তারা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের অবহিত করেছে ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন